ভ্যাট এবং ট্যাক্স সার্ভিস

ই-টিন (e-TIN)



সাধারণত ই-টিন (e-TIN) দুই ধরনের হয়ে থাকে—ব্যক্তিগত ই-টিন এবং প্রতিষ্ঠান/কোম্পানির ই-টিন। ব্যক্তিগত ই-টিন একজন ব্যক্তির নিজ নামে এবং প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির ই-টিন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে করা হয়।

জয়েন্ট স্টক (RJSC) নিবন্ধিত কোম্পানি, ফার্ম, সংঘ, ট্রাস্টসহ বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী ই-টিনের প্রয়োজন হতে পারে। ই-টিন করতে যে সকল ডকুমেন্ট প্রয়োজন হয় । 

 

ব্যাক্তি ই-টিনঃ 

  • এন.আই.ডি 
  • মোবাইল নাম্বার ( বায়োমেট্রিক)
  • ইমেইল 
  • পিতা মাতার নাম ইংলিশে 
  • বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা ইংলিশে 

কোম্পানীর ই-টিন 

  • এন.আই.ডি 
  • মোবাইল নাম্বার 
  • ইমেইল
  • ইনকর্পোরেশন সার্টিফিকেট 
  • বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা ইংলিশে 
  • ব্যবসায়ের ধরন 

ফার্মের ই-টিন 

  • এন.আই.ডি 
  • মোবাইল নাম্বার
  • ইনকর্পোরেশন সার্টিফিকেট ( যদি থাকে ) 
  • বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা ইংলিশে 
  • ব্যবসায়ের ধরন
  • ট্রেড লাইসেন্স 
  • ভাড়া ডিড 
  • অথরাইজেশন লেটার 
  • পার্টনারশিপ ডিড 
    নোটঃ ফার্মের ই-টিন করতে মিনিমাম ৫ কর্ম দিবস প্রয়োজন হয় কেননা , টিকেট অনুসারে সার্কেলে গিয়ে উপরের তথ্য গুলো জমা দিতে হয় 

 

আপনার সমস্যা নিয়ে একজন লিগ্যাল এক্সপার্ট এর সাথে কথা বলতে চান? আমরা প্রস্তুত।

এখনি যোগাযোগ করুন
image